আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ৬টি আসনে অংশগ্রহণকারী ২৯ জন বৈধ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল থেকে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন।
বুধবার সকাল দশটা থেকে দুপুর সাড়ে বারোটা পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে ৬টি সংসদীয় আসনের ২৯ প্রতিদ্বন্দী প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করেন জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা আফিয়া আখতার । ২৬ জন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী তাদের দলীয় প্রতীক এবং ৩ জন স্বতন্ত্র প্রার্থী পছন্দমতো প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। এসময় জেলার সংসদীয় ছয়টি আসনের বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতীক বরাদ্দের আগে জেলা রির্টানিং কর্মকর্তা প্রার্থীদের আচরনবিধি মেনে চলতে অনুরোধ জানান। প্রতীক পেয়ে প্রার্থীরা আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচার চালানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পাশাপাশি লেবেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতে প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকা প্রত্যাশা করেন।



রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনে লড়ছেন পাঁচজন। এরমধ্যে বিএনপির শফিকুল হক মিলন, জামায়াতের আবুল কালাম আজাদ, জাতীয় পার্টির আফজাল হোসেন, ইসলামী আন্দোলনের ফজলুর রহমান ও আমজনতার দলের সাইদ পারভেজ।

রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে লড়ছেন চাজন। তারা হলেন- বিএনপির ডিএমডি জিয়াউর রহমান, জামায়াতের আবদুল বারী সরদার, জাতীয় পার্টির ফজলুল হক ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের তাজুল ইসলাম খান।

রাজশাহী-৫ (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) আসনে লড়ছেন ছয়জন। তারা হলেন- বিএনপির অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, জামায়াতের মনজুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের রুহুল আমিন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির আলতাফ হোসেন মোল্লা এবং স্বতন্ত্র ইসফা খায়রুল হক ও রেজাউল করিম।

রাজশাহী-৬ (চারঘাট-বাঘা) আসনে লড়ছেন চারজন। তারা হলেন- বিএনপির আবু সাইদ চাঁদ, জামায়াতের নাজমুল হক, জাতীয় পার্টির ইকবাল হোসেন ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আবদুস সালাম সুরুজ। সবমিলে ২৯ জন বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী নির্বাচনের মাঠে থাকলেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিনে জেলার এক ও দুই আসনের তিনজন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এই তিনজন হলেন- রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-২ আসনের লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মো. ওয়াহেদুজ্জামান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম।