এই ভরা জোয়ারের মধ্যে বিজেপির ফলতা জয় নিয়ে কোনও সংশয়ই ছিল না।
পরিবর্তনের পরিবর্তন
এ বারের বিধানসভা নির্বাচনে দু’টি কেন্দ্র থেকে লড়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী— ভবানীপুরে এবং নন্দীগ্রামে। ভবানীপুরে হারিয়েছেন মমতাকে। নন্দীগ্রামেও জিতেছেন শুভেন্দু। তবে নিয়ম অনুযায়ী, একটি আসত তাঁকে ছাড়তেই হত। মমতাকে হারানো ভবানীপুর আসন ধরে রেখেছেন মুখ্যমন্ত্রী। নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। ফলে নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন আসন্ন। পূর্ব মেদিনীপুরের হলদি নদীর তীরে এই জনপদে ফলতার মতোই উল্লেখযোগ্য সংখ্যায় সংখ্যালঘু ভোট রয়েছে। এখন দেখার বিষয়, নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনে তৃণমূল কাকে প্রার্থী করে। পাশাপাশি বাম, কংগ্রেস বা আইএসএফের মতো দলগুলির মধ্যে কী বোঝাপড়া হয় নন্দীগ্রামে এবং সেখানে ভোটের ফল কী হয়, সে দিকেও নজর থাকবে। ওই ভোটের ফলাফল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের সংখ্যালঘু ভোটের নতুন প্রবণতার বিষয়ে দিশা পাওয়া যাবে।