তৃণমূলের অন্দরে ডামাডোলের মাঝে এ বার জরুরি বৈঠক ডাকল কংগ্রেস হাইকমান্ড। বৃহস্পতিবার কংগ্রেসে সব সাধারণ সম্পাদক এবং প্রদেশ সভাপতিদের ডাকা হয়েছে বৈঠকে। দিল্লিতে ইন্দিরা ভবনে ওই বৈঠকে নেতৃত্ব দেবেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে।
উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার সনিয়া গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক হয়েছে মমতার। বুধবার দুপুরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। প্রায় দেড় ঘণ্টা দু’জনের বৈঠক হয়েছে বলে সূত্রের খবর। পিটিআই সূত্র উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’-কে শক্তিশালী করার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে দুই নেতার মধ্যে। কী ভাবে, মতপার্থক্য দূরে সরিয়ে বিজেপি বিরোধিতার প্রশ্নে দলগুলি এককাট্টা হতে পারে, তা নিয়েও আলোচনা হয়। তবে তৃণমূল সূত্রে খবর, বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও কথাবার্তা বলেছেন রাহুল এবং অভিষেক। এমন এক পরিস্থিতির মাঝে বৃহস্পতিবার জরুরি বৈঠক ডাকল কংগ্রেস।
উল্লেখ্য, মমতা এবং সনিয়ার ব্যক্তিগত সম্পর্ক বরাবরই ভাল। ১৯৯৮ সালে কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল গড়ার পরও সনিয়ার সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কে দৃশ্যত কোনও চিড় ধরেনি। তবে সাম্প্রতিক ঘটনাপরম্পরার প্রেক্ষিতে সনিয়া, রাহুলদের সঙ্গে মমতা, অভিষেকদের পর পর দু’দিনের বৈঠক যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। গান্ধী পরিবারের সঙ্গে মমতাদের সম্পর্কে ‘নতুন সমীকরণ’ নিয়েও গুঞ্জন শুরু হয়েছে। এমন এক পরিস্থিতিতে কংগ্রেস হাইকমান্ডের এই বৈঠকের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।