সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ০৯:০৩ অপরাহ্ন

শূন্যপদের তথ্য চাইল নবান্ন, রাজ্যে নিয়োগ প্রক্রিয়া ইঙ্গিত শুভেন্দুর

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক
আপডেট : শনিবার, ২৩ মে, ২০২৬

তৃণমূল সরকারের পতনের পর ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পরেই সরকারি চাকরিতে নিয়োগের বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আর এ বার দীর্ঘ দিন ধরে বিভিন্ন সরকারি দফতরে বিপুল সংখ্যক শূন্যপদ পড়ে থাকার অভিযোগের মাঝেই বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। আগামী ৩ জুনের মধ্যে সমস্ত দফতরকে বিস্তারিত শূন্যপদের রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিল নবান্নের অর্থ দফতর (অডিট শাখা)।

শুক্রবার জারি হওয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, রাজ্যের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব, প্রধান সচিব এবং সচিব পর্যায়ের আধিকারিকদের কাছে এই নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে বহু পদ খালি পড়ে থাকায় বর্তমান পরিস্থিতির একটি পূর্ণাঙ্গ পর্যালোচনা করা জরুরি হয়ে পড়েছে। সেই কারণেই প্রতিটি প্রশাসনিক দফতরকে পৃথক ভাবে শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করে রিপোর্ট তৈরি করতে বলা হয়েছে। নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট দফতর, ডিরেক্টরেট অফিস এবং আঞ্চলিক অফিস— এই তিনটি স্তরে আলাদা আলাদা তথ্য প্রস্তুত করতে হবে। যদিও বিশদ রিপোর্ট সংশ্লিষ্ট দফতরের কাছেই সংরক্ষিত থাকবে, নবান্নে জমা দিতে হবে শুধুমাত্র সংকলিত ও একত্রিত রিপোর্ট। রিপোর্টে ১ মে ২০২৬ পর্যন্ত শূন্যপদের তথ্য অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে।

বিশেষ ভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে সরাসরি নিয়োগের মাধ্যমে কতগুলি পদ পূরণ করা হবে, সেই বিষয়ে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যে সংখ্যক পদ সরাসরি নিয়োগের জন্য প্রস্তাব করা হবে, তার পক্ষে যথাযথ যুক্তি এবং ব্যাখ্যাও দিতে হবে সংশ্লিষ্ট দফতরকে। ফলে স্পষ্ট, সরকার শুধুমাত্র শূন্যপদের হিসাব চাইছে না, সেই পদগুলি পূরণের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কেও বিস্তারিত মূল্যায়ন করতে চাইছে। রিপোর্ট জমা দেওয়ার ক্ষেত্রেও একাধিক নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জানানো হয়েছে, শুধুমাত্র ‘এক্সেল স্প্রেডশিট’ আকারে সফট কপি জমা দিতে হবে এবং তা তিনটি পৃথক শিটে ভাগ করা থাকবে— ‘এ’ বিভাগে দফতর, ‘বি’ বিভাগে ডিরেক্টরেট এবং ‘সি’ বিভাগে আঞ্চলিক অফিসের তথ্য থাকবে। নির্ধারিত ফরম্যাট কোনও ভাবেই পরিবর্তন করা যাবে না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


এই বিভাগের আরো খবর