কখনও তিনি বিধায়ক, কখনও সাংসদ, কখনও রেলের রাষ্ট্রমন্ত্রী, কখনও লোকসভায় কংগ্রেসের দলনেতা এবং পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির চেয়ারম্যান। তার মধ্যে কেটে গিয়েছে ২৮টি বছর। কিন্তু তিনি নসিপুর থেকে আজিমগঞ্জ— ভাগীরথী নদীর উপর সাড়ে চার কিলোমিটার রেলসেতুর কথা ভোলেননি।
অধীরের ভিতরে আবার নড়তে শুরু করে রেলসেতুর ভূত। প্রথমে লালুর কাছে গিয়ে আর্জি। লালু অরাজি নন। কিন্তু জানান, মুর্শিদাবাদে রেলব্রিজের পাল্টা পটনায় সেনা ক্যান্টনমেন্ট তৈরির বন্দোবস্ত করার কথা প্রণবকে বলতে হবে অধীরকে। তা-ই সই। অধীর প্রণবকে গিয়ে জানালেন লালুর শর্তের কথা।
বাকিটা ঠিকঠাক। জটিলতা কাটে। শেষ হয় আজিমগঞ্জ-নসিপুর রেলসেতু নির্মাণের কাজ। মাঝখানে কেটে গিয়েছে ২৮টি বছর। রয়েছে ছয় কেন্দ্রীয় মন্ত্রী, যোজনা কমিশনের ভাইস চেয়ারম্যান, অজস্র আমলার কাছে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকার ইতিহাস। রয়েছে এক রাজনীতিকের নাছোড়বান্দা মনোভাব, জেদ আর অধ্যবসায়।