মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:০২ পূর্বাহ্ন

শুভেন্দুর সরকার আরজি কর তদন্তে সহযোগিতায় কি প্রস্তুত : শান্তনু সেন

আন্তর্জাতিক নিউজ ডেস্ক
আপডেট : বুধবার, ২৭ মে, ২০২৬

আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনা এবং হাসপাতালের সার্বিক দুর্নীতি নিয়ে ফের মুখ খুললেন তৃণমূলের চিকিৎসক নেতা শান্তনু সেন। আরজি কর আন্দোলন পর্বেও তিনি এ বিষয়ে একাধিক মন্তব্য করেছিলেন। তাঁকে জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলনকে সমর্থন করতে এবং ‘রাতদখল’ কর্মসূচিতে রাস্তায় নামতে দেখা গিয়েছিল। রাজ্যে রাজনৈতিক ক্ষমতার পালাবদলের পর শান্তনু জানিয়ে দিলেন, নতুন সরকারকে ওই সংক্রান্ত যে কোনও তদন্তে তিনি সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

কিছু দিন আগেই রাজ্যের নতুন বিজেপি সরকারকে অভিনন্দন এবং মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদ জানিয়ে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছিলেন শান্তনু। ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের সর্বভারতীয় সভাপতি ও ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন বেঙ্গল স্টেট ব্রাঞ্চের বর্তমান রাজ্য সম্পাদক হিসাবে বাংলার নবনির্বাচিত বিজেপি সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুকে তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। তখনই তাঁর পোস্ট তৃণমূলকে কিছুটা অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। বুধবার আর রাখঢাক না-করেই দুর্নীতির বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন শান্তনু। অভিযোগ, আরজি কর পর্বে মুখ খোলার জন্য তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে নানা ভাবে হেনস্থা করা হয়। তাঁর রেজিস্ট্রেশনও বাতিল করে দেওয়া হয়। মেয়ের মুখ চেয়ে তাই সে সময় চুপ করে গিয়েছিলেন, দাবি শান্তনুর।

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে প্রচার যখন তুঙ্গে, তখন তৃণমূলের তরফ থেকে জানিয়ে দেওয়া হয়, শান্তনুর সাসপেনশন তুলে নেওয়া হয়েছে। আবার তিনি দলের মুখপাত্র পদে বহাল হয়েছিলেন। কিন্তু ভোটে দলের ভরাডুবির পর ফের তিনি ‘বেসুরো’।

আরজি করের ঘটনার কথা উল্লেখ করে শান্তনু বলেছেন, ‘‘কিছু নির্মম সত্যি কথা বলার জন্য আমাকে দল থেকে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। আমার একমাত্র মেয়ে, যে আরজি করের ছাত্রী ছিল, তার উপর সাংঘাতিক মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল। আমার চিকিৎসক কাউন্সিলর স্ত্রীর উপর অত্যাচার হয়েছে। অনার্স পাওয়ার পরেও আমার মেয়েকে ফেল করানোর চেষ্টা হয়েছে। আমাকে বলা হয়েছিল আর কিছু বললে আমার মেয়ে কী ভাবে ডাক্তার হয়, তারা দেখে নেবে। তাই বাবা হিসাবে মেয়ের কথা ভেবে আমাকে চুপ করে যেতে হয়েছিল।’’


এই বিভাগের আরো খবর