মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
/ রেসিপি
নানা রকম আমিষ ও নিরামিষ রান্না সাজিয়ে পরিবেশনের নিপুণতাও বাঙালির সহজাত। বাঙালিই মনে হয় একমাত্র জাত, যারা সব্জির খোসা থেকে ডগা, কাণ্ড থেকে শিকড়, ফুল থেকে পাতা সব কিছু দিয়ে আরো পড়ুন
কথায় আছে মাছে-ভাতে বাঙালি। তাই এক বেলা অন্তত ভাত-মাছ না হলে বহু বাঙালির রসনা তৃপ্ত হয় না। নিত্য দিনের মাছের তালিকায় রুই, কাতলা, মৃগেলই ঠাঁই পায়। ইলিশ, চিংড়ি, আড়, বোয়াল
এই প্রচণ্ড গরমে রসালো ফল তরমুজ হতে পারে প্রশান্তিদায়ক। পানি এবং প্রাকৃতিক শর্করা সমৃদ্ধ তরমুজ আমাদের হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। লাইকোপেন, অ্যামাইনো অ্যাসিড, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাসিয়াম ও
ভাতের চাল ও ছোলা দিয়ে রান্না করা দারুণ মজাদার একটি আইটেম হচ্ছে ঝালের পোলাও। উত্তরাঞ্চলের নওগাঁ জেলার ভীষণ জনপ্রিয় পদ এটি। ঈদ উপলক্ষে আইটেমটি রান্না করে ফেলতে পারেন। অতিথিরা প্রশংসা
কবাবের নাম শুনলে মানসপটে মুরগি কিংবা খাসির ছবিই ভেসে ওঠে। কিন্তু ইফতার উপলক্ষে বাড়িতে যাঁদের নিমন্ত্রণ করেছেন, তাঁদের কেউই মাংস খেতে পছন্দ করেন না। আচ্ছা, মাছ দিয়েও তো কবাব বানানো
রোজ রোজ ভাতের পাতে কী দেওয়া যায়, তা নিয়ে চিন্তার শেষ থাকে না গৃহিনীদের। সেই এক তরকারি দেখলেই কারও আর খাওয়ায় মন থাকে না। তা ছাড়া গরম পড়া মানেই, খাবারে
বাড়িতে অতিথি আসবেন। ভালমন্দ রাঁধতেই হবে। কিন্তু রান্না হবে কী, তা নিয়ে চিন্তা? চেনা খাবারও রেঁধে ফেলতে পারেন অন্য ভাবে, অন্য কায়দায়, অন্য উপকরণে। পরোটা হোক বা রুটি, ভাতের পাতে
লাউ দেখলেই চিংড়ি দিয়ে ঘণ্ট রাঁধতে ইচ্ছে করে। অনেকে আবার নিরামিষ লাউয়ের ছেঁচকি খেতেও পছন্দ করেন। ডালের মধ্যে ডুমো ডুমো করে কাটা লাউ দিলেও খেতে মন্দ লাগে না। গরমে শরীরও