শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৪ অপরাহ্ন
/ রেসিপি
ভাতের সঙ্গে নানা রঙের তরকারি খাওয়ারই চল মশলাপ্রেমী ভারতে। সবুজ, হলুদ, লালচে — এমন নানা বর্ণের তরিতরকারি সাজিয়ে দেওয়া হয় মধ্যাহ্নভোজের পাতে। এই তরকারিটিও ভাতেরই দোসর। তবে রঙের বাড়াবাড়ি নেই। আরো পড়ুন
দোলের দিন কি আর অত নিয়ম মানা যায়। রঙের পরবে আট থেকে আশি— সকলেই আনন্দ করবেন। রং খেলা, খাওয়াদাওয়া চলবেই। কিন্তু সমস্যা হবে মিষ্টি খাওয়া নিয়ে। বাড়ির বয়স্কদের যদি ডায়াবিটিস
নাম ‘ঠান্ডাই’ কেন ঠিক জানা না থাকলেও, অনুমান করা যায় ঠান্ডা থেকেই ঠান্ডাই। শরীর, মন জুড়িয়ে দেওয়া ঠান্ডা পানীয়টি দোলের দিনে গলা ভেজানোর জন্য খাওয়া হয়। রঙের উৎসবে ঠান্ডাই খাওয়ার
দোলের দিন বাঙালি কী খায়? ভাবতে বসলে পাল্টা প্রশ্ন আসবে, কী খায় না! খাদ্যরসিক এই জাতি দোলের দিন মাংস-ভাত থেকে শুরু করে দানাদার, মালপোয়া, মঠ-ফুটকড়াই, ঠান্ডাই, গুজিয়া কোনও জিনিসই চেখে
পাতুরি বললেই চোখে ভাসে কলাপাতায় মোড়া এক অতি সুস্বাদু পদ। নিরামিষ, আমিষ— দুই ধরনের পাতুরি হলেও বাঙালি মহলে এগিয়ে ভেটকির পাতুরি। এ ছাড়াও চিংড়ি, ইলিশ, কাতলা, যে কোনও মাছেরই পাতুরি
সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পরিবর্তন হয়েছে মানুষের রুচি ও অভিরুচি। আধুনিকতার ভিড়ে চাপা পড়েছে বহু পুরোনো ইতিহাস ও ঐতিহ্য। কিন্তু কিছু জিনিস আজও ধরে রেখেছে তার নিজ সত্তা, অভিন্ন পরিচয়। রাজশাহীর রহমানিয়া
রুই মাছের রান্না বলতে সাধারণত ঝাল- ঝোল-কালিয়ার কথাই মনে আসে। অথচ রুই মাছ দিয়ে নানা রকম রান্না করা যেতেই পারে।বাঙালিদের মতো দক্ষিণ ভারতেও মাছ খাওয়ার চল রয়েছে। চেনা মাছের স্বাদে
মুরগির মাংস কত রকম ভাবে খাওয়া যায়, তা পঞ্জাবিদের থেকে শিখতে হয়। যে বাটার চিকেন, চিকেন তন্দুরি নিয়ে মাতোয়ারা খাদ্য রসিকেরা তা পঞ্জাবেরই হেঁশেল থেকে বেরিয়ে ভারত তো বটেই গোটা