মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ০১:১০ পূর্বাহ্ন
/ রেসিপি
ভাতে, সেদ্ধ কিংবা মাখা— এমন নাম এ পারের মানুষের কান-সওয়া। কিন্তু ভর্তা? তার মানেই ও পারের রান্না। সব্জি, মাছ, মাংস দিয়ে নানা প্রকার ভর্তা খাওয়ার প্রচলন ও পারে বেশি, সে আরো পড়ুন
শীত চলে যেতেই পর্ণা আবার পুরনো রুটিনে ফিরতে শুরু করেছেন। মানে ওজন ঝরানোর যে প্রক্রিয়াটি শীতের ভাল ভাল খাবারের লোভে মাঝপথে রাস্তা হারিয়ে ফেলেছিল, সেটিই আবার চাগাড় দিয়ে উঠেছে। শরীরের
ঘরোয়া সব্জি দিয়ে অন্য রকম বা অচেনা কোনও রান্না করতে চাইলে প্রথমেই মনে পড়ে ফুলকপির কথা। তার প্রথম কারণ, ফুলকপির যেমন নিজস্ব স্বাদ আছে, তেমনই ওই সব্জি প্রায় সব রকম
দেখতে যতই সুন্দর হোক, সজনে ফুল স্বাদে কড়া। সামান্য তিতকুটে ভাব। তবু বসন্তকাল এলেই সেই ফুলের তরকারি দেওয়া হত ভাতের পাশে। বলা হত, আর কিছু না হোক ওই তরকারিটি খেতেই
মুলো খেতে মোটে ভাল লাগে না। একে তো বিশ্রী গন্ধ! তা ছাড়া সব্জিটির নিজস্ব কোনও স্বাদই নেই। কিন্তু উপকার তো আছে। সেই ভেবে বাজার থেকে প্রায়ই মুলো আনা হয়। পাঁচমেশালি
সপ্তাহে এক দিন বাজার থেকে বাড়িতে মাংস আসার আনন্দ সাম্প্রতিক প্রজন্ম বুঝবে না। তবে নব্বইয়ের দশকের গোড়ার দিকেও বেশির ভাগ বাঙালির কাছে ছুটির দিন মানেই ছিল মাংস-ভাত। সে ট্যালট্যালে ঝোল
গুড় দিয়ে মাখিয়ে খই খেয়েছেন কি কখনও? দু’টি উপকরণ, রান্না করার বালাই নেই, শুধু মেখে নিলেই হল। এমনকি, নির্দিষ্ট কোনও আকার আকৃতি দেওয়ারও দরকার নেই। অথচ মুখে দিলেই অমৃত! খই
বলিউড তারকারা বলে নয়, র‌্যামেন, কিমচি, বিবিমবাপের মতো কোরিয়ান খাবারের প্রতি আগ্রহ জন্মেছে খাস কলকাতার লোকজনেরও। এখনকার ছেলেমেয়েরা চিনা হাক্কা নুড্‌লসের পাশাপাশি দিব্যি আয়েস করে খাচ্ছে কোরিয়ান গোচুজাং নুড্‌লসও। তা