শরীরের ঊর্ধ্বাংশে আগুন জ্বলছে। সেই অবস্থায় তরুণী দাবি করেছিলেন, তাঁর স্বামী ও আরও এক জন সেই আগুন ধরিয়ে দিয়েছেন। বেলঘরিয়ার এই ঘটনার তদন্তে পুলিশের হাতে উঠে এসেছে অন্য তথ্য। জানা গিয়েছে, তরুণী নিজেই রাস্তায় হাঁটার সময়ে গায়ে আগুন দেন!কিন্তু কেন তিনি বার বার স্বামীর নামে অভিযোগ করেছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশকর্তারা। খড়দহের বাসিন্দা রিনা ওরফে সঙ্গীতা সরকার এখনও কামারহাটির সাগর দত্ত মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল হলেও সঙ্কট কাটেনি। ব্যারাকপুর সিটি পুলিশের উপ-নগরপাল (দক্ষিণ) অনুপম সিংহ বলেন, ‘‘প্রথমে স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেও, পরে জানা গিয়েছে, তরুণী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। তদন্তে সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’’
সেই অভিযোগের ভিত্তিতে রাতেই নিলয়কে আটক করে পুলিশ। সূত্রের খবর, জিজ্ঞাসাবাদে নিলয় দাবি করেন, ঘটনার সময়ে তিনি কলকাতায় নিজের কর্মস্থলে ছিলেন। সেই মতো তাঁর সহকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে এবং মোবাইলের টাওয়ার লোকেশন পরীক্ষা করে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হন, ওই যুবক সত্যি বলছেন। এমনকি, আর্যনগরের আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও নিলয়কে দেখতে পায়নি পুলিশ। পাশাপাশি, নিলয়ের পরিবার ও তাঁর শ্বশুরবাড়িতে কথা বলেও তদন্তকারীরা বুঝতে পারেন, রিনা আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন। পুলিশকে নিলয়ের পরিজনেরা জানিয়েছেন, শুক্রবার দুপুরে চিপস কিনতে যাওয়ার নাম করে খড়দহের বিবেকনগরের বাড়ি থেকে বেরিয়েছিলেন রিনা।