ব্যবসায়ী বন্ধুর প্রেমিকার সঙ্গে ‘সুসম্পর্ক’ ছিল উত্তর ২৪ পরগনার তৃণমূল নেতা আবুল নাসারের। সেই ঘনিষ্ঠতাকে হাতিয়ার করেই কি তাঁকে মন্দারমণি নিয়ে গিয়ে খুন করা হয়েছে? পূর্ব মেদিনীপুরের সমুদ্রসৈকত এলাকায় আবুলের রহস্যমৃত্যুর তদন্তে নেমে এই প্রশ্নই ভাবাচ্ছে তদন্তকারীদের। জানা গিয়েছে, জমি ব্যবসার সুবাদে তৃণমূল নেতার বান্ধবীর সঙ্গে আলাপ হয়েছিল আবুলের ব্যবসায়ী বন্ধুর। ধৃত ওই যুবকের ব্যবসায় বড় অঙ্কের বিনিয়োগ করেছিলেন তৃণমূল নেতার রহস্যমৃত্যুতে ধৃত বান্ধবী। সম্প্রতি একটি ‘লাভজনক’ জমি কেনার পরিকল্পনা করেছিলেন তাঁরা। সেখান থেকে তৃণমূল নেতাকে খুনের চক্রান্ত হয়েছিল কি না, ভাবাচ্ছে পুলিশকে। এ জন্য ধৃত দু’জনকে জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন রয়েছে। রবিবারই দু’জনকে তোলা হচ্ছে আদালতে।

পুলিশ খোঁজখবর করে জানতে পেরেছে, ধৃত যুবতী আমডাঙারই এক তৃণমূল নেতার ভাগ্নি। তৃণমূল নেতা আবুলের সঙ্গে তাঁর যেমন বন্ধুত্ব ছিল, তেমনই আবুলের বন্ধুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। কিছু দিন হল তাঁর ব্যবসাতেও টাকা ঢালা শুরু করেন ওই যুবতী। যদিও তিনি কোথা থেকে ওই টাকা পেতেন, তা পরিষ্কার নয়। অভিযোগ, সদ্য বায়না করা একটি লাভজনক জমি এবং জেসিবি (মাটি খোঁড়ার মেশিন) হাতাতে বান্ধবীকে টোপ হিসাবে ব্যবহার করেন ব্যবসায়ী। তবে আবুলের যাতে কোনও সন্দেহ না হয়, সে জন্য পরিচিত এক বার-ডান্সারকে নিজের বান্ধবী সাজিয়ে বৃহস্পতিবার মন্দারমণি বেড়াতে যাওয়ার প্রস্তাব দেন আতাউর। আবুল এবং তাঁর বন্ধু সঙ্গে থাকা দুই যুবতীকে নিজেদের স্ত্রী বলে পরিচয় দিয়ে হোটেলের রুম বুক করেছিলেন।