ব্যায়াম করেও পেটের মেদ কমছে না। ভুঁড়ি দিন দিন বেড়েই চলেছে। পুজোর আগে রোগা হওয়ার চেষ্টা অনেকেই কঠোর ডায়েট শুরু করে দিয়েছেন। একবেলা উপোস করে ওজন কমানোর চেষ্টাও করছেন। তবে খাওয়াদাওয়া যদি পছন্দমতো করেও ওজন কমাতে হয়, তা হলে ব্যায়াম করতে হবে। পেট-কোমর, নিতম্বের মেদ কমাতে কেমন ব্যায়াম করা জরুরি তা শিখিয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী মলাইকা অরোরা। তাঁর ফিটনেস নিয়ে আলোচনা সর্বত্রই। নিজের ইনস্টাগ্রামে প্রায়ই নানা ধরনের ব্যায়ামের পদ্ধতি শেখান অভিনেত্রী। জানিয়েছেন, তাঁর মতো নির্মেদ চেহারা পাওয়া অসম্ভব নয়। যোগাসনের কিছু পদ্ধতিতেই তা সম্ভব।
কী কী যোগাসন শেখালেন মলাইকা?
প্রথমে ম্যাটের উপর হামাগুড়ি দেওয়ার ভঙ্গিতে বসুন। ডান হাঁটু ভাঁজ করে বাঁ হাতের পাশ দিয়ে প্রসারিত করুন। বাঁ পা ঠেলে দিন পিছনের দিকে। দুই হাতের তালু মাটিতে থাকবে। ঘাড়, পিঠ, কোমর থাকবে টান টান। এই অবস্থান ধরে রাখুন ১০ সেকেন্ড। এ বার বাঁ হাঁটু উল্টো দিকে ভাঁজ করে কোমরের কাছাকাছি টেনে আনতে চেষ্টা করুন। দু’হাত মাটি থেকে তুলে নিয়ে যেতে হবে মাথার পিছন দিকে। বাঁ পায়ের পাতা আর ডান হাতের কনুই একে অপরকে স্পর্শ করে থাকবে।
উপুড় হয়ে ম্যাটের উপর শুয়ে পা দু’টি একসঙ্গে টান টান করে রাখুন। দুই হাত রাখুন দুই ঊরুর নীচে। ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে নিতে বাঁ পা উপরের দিকে তুলুন। হাঁটু যেন ভাঁজ না হয়। ডান পা একেবারে টান টান থাকবে। এই অবস্থানে থাকুন ৫ সেকেন্ড। এর পর শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে পা নীচে নামান। একই পদ্ধতিতে শ্বাস নিতে নিতে দুই পা উপরের দিকে তুলুন। ৫ সেকেন্ড এই অবস্থানে থেকে শুরুর ভঙ্গিতে ফিরে আসুন। এই ভাবে তিন সেট অভ্যাস করতে হবে।
ম্যাটে পা ছড়িয়ে সোজা হয়ে বসুন। শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। হাঁটু সামান্য ভাঁজ করুন। এ বার নিতম্বের উপর ভর রেখে পা ও কোমর বৃত্তাকারে ঘোরাতে হবে ধীরে ধীরে। এটি করার সময়ে মেরুদণ্ড যথাসম্ভব সোজা রাখার চেষ্টা করুন। এই ব্যায়ামে নিতম্বের মেদ কমবে, কাফ মাসলের ব্যায়ামও হবে। শরীরের নিম্নাংশের পেশির জোর বাড়বে।