শীতের এই সময়টায় তেলতেলে দেশি হাঁসের মাংস খেতে ভালোবাসেন ভোজনরসিকরা। তবে হাঁস পরিষ্কার করাটা বেশ ঝক্কির বিষয়। ছোট ছোট পশম সহজে যেতে চায় না হাঁসের শরীর থেকে। পরিষ্কারের ভয়ে অনেকেই আরো পড়ুন
কেউ খান ভর্তা করে, কেউ খান মুরগির মাংস থেকে সব্জির নানা পদে ছড়িয়ে। ক্যালশিয়াম, পটাশিয়াম, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে সমৃদ্ধ সাদা তিল। কালো তিলও হয়। দুই রকম তিল খাওয়া গেলেও, সাদা তিলই
পাটালি হোক বা নলেন গুড়, শীত মানেই নানা খাবারে গুড়ের স্বাদ। শীতের সঙ্গে গুড়ের সম্পর্ক যেন অবিচ্ছেদ্য। গুড় দিয়ে তৈরি বাদাম পাটালি বা নারকেল নাড়ু থেকে পিঠে, পাটিসাপ্টা খুবই জনপ্রিয়
সন্ধ্যা হলেই মুখরোচক কিছু খেতে ইচ্ছা করে। কিন্তু প্রতিদিন ছাঁকা তেলে ভাজা খাবার খাওয়া ভাল নয় বলেই এয়ার ফ্রায়ার কিনেছেন। যাতে কম ঝক্কিতে কম তেলে রকমারি খাবার তৈরি করা যায়।
শীত মানেই গুড়ের রকমারি পদ। নলেন গুড়ের রসগোল্লা থেকে পাটিসাপটা, পিঠেপুলি খাওয়ার এই তো সময়। কিন্তু মিষ্টি মানেই হু-হু করে বাড়বে ক্যালোরি। তা হলে উপায়? স্বাস্থ্যসচেতন হলে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে বানিয়ে
রান্না করা, হেঁশেল সামলানো কতটা কঠিন, তা বোঝেন নিয়মিত যাঁরা কাজটি করেন। খাবার কম হলে চলবে না, আবার বেশি খাবার ফেলে দিতেও মন সায় দেয় না। দামের জিনিস। এ দিকে
শীতে বাজারে গেলে থলেতে আর কিছু না হোক কিছু গাজর থাকবেই। শীত কালে সেই গাজর দিয়ে হালুয়া বানান অনেকেই। তবে নতুন বছরে যদি মিষ্টিতে রাশ টেনে থাকেন, তবে হালুয়ার বদলে
চকোলেট দেখলেই বায়না করে খুদে। কিন্তু পেট ভরানোর কোনও খাবারেই তার মন নেই। এ দিকে, নিয়মিত বেশি পরিমাণ চকোলেট খাওয়াও ঠিক নয়। খুদেকে স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াতে ওট্স দিয়ে বানিয়ে নিন