টিফিনে রোজ রোজ রুটি-তরকারি অথবা পরোটা বা পাউরুটি ভাল লাগে না। স্বাদবদল করতে সকলেরই ইচ্ছে হয়। কিন্তু তার মানে বাইরে থেকে মুখরোচক জাঙ্ক ফুড কিনে খেতে শুরু করলে শরীরের বারোটা আরো পড়ুন
অমলেট, সেও নাকি ডিম ছাড়া! শুনলেই মনে হতে পারে কিশোরকুমারের জনপ্রিয় গানের একটি লাইন, ‘ডিম নয় তবু অশ্বডিম্ব।’ অশ্বের ডিম হয় না অথচ ঘোড়ার ডিম শব্দটি প্রচলিত। এ যেন ঠিক
স্কুল থেকে ফিরেই ভালমন্দ খাবারের জন্য বায়না করে অনেক শিশুই। বিকেলের জলখাবারে মুখরোচক কিছুই খেতে চায় খুদেরা। অনেক মা-বাবাই চটজলদি কেক বা চিপ্সের প্যাকেট হাতে ধরিয়ে দেন। অথবা চকোলেট কিনে
সেই ডিসেম্বর থেকে কেক-মিষ্টি-ভাজাভুজি খেয়ে এত দিনে নিশ্চয়ই একটু থিতু হয়েছেন। ওজন বেড়ে যাওয়ার ভয়ে হয়তো রাশ টেনেছেন খাবারেও। তা বলে কি স্বাদের সঙ্গেও আপোস করতে হবে! প্রাতরাশ, দুপুরের খাবার,
শীতের সময়ে আইসক্রিম খেলেই বিপত্তি। কিন্তু খুদেরা আইসক্রিম খাওয়ার জন্য বায়না করবেই। যাদের সর্দি-কাশি বা অ্যালার্জির ধাত আছে, তাদের জন্য আইসক্রিম নৈব নৈব চ। তাই বাড়ির খুদে সদস্য যদি বায়না
দার্জিলিংয়ে প্রথম গোয়েন্দাগিরি করতে গিয়েই ফেলুদা আর তোপসের সঙ্গে হট চকোলেটের আলাপ। ভাবি গোয়েন্দা আর তার শাগরেদকে হট চকোলেট খাইয়েছিলেন ফেলুদার প্রিয় বাংলা রহস্য গল্পের লেখক তিনকড়ি বাবু (অন্তত ফেলুদা