গত সপ্তাহে এক ডজন কলা কিনে এনেছিলেন। কিন্ত তার বেশির ভাগটাই পড়ে রয়েছে। বাড়ির অন্য কেউও তা খেতে চাইছেন না। দাম দিয়ে কেনা জিনিস তো ফেলা যায় না। কৌশলে সেই আরো পড়ুন
বাঁধাকপি দিয়ে সাধারণত চচ্চড়িই রাঁধা হয় বাঙালি বাড়িতে। আলু-জিরে-আদাবাটা-হলুদ-তেজপাতা-শুকনো লঙ্কা দিয়ে কষিয়ে রাঁধা। শীতকাল হলে তাতে কড়়াইশুটিও পড়ে। সব মিলিয়ে ভাতের সঙ্গে পাতলা মুুসুরের ডাল দিয়ে বাঁধাকপির চচ্চড়ি খেতে ভালই
নামের বাহার আছে এ পিঠের । কেউ বলেন ডিমের পান্তুয়া পিঠে। কেউ ডাকেন ডিমসুন্দরী বলে। ডিম বাহার পাটি সাপটা বা ডিমসুন্দরী পাটিসাপটাও বলা হয় ওই পিঠেকে। মাছ কিংবা মাংস দিয়ে
টিফিনে রোজ রোজ রুটি-তরকারি অথবা পরোটা বা পাউরুটি ভাল লাগে না। স্বাদবদল করতে সকলেরই ইচ্ছে হয়। কিন্তু তার মানে বাইরে থেকে মুখরোচক জাঙ্ক ফুড কিনে খেতে শুরু করলে শরীরের বারোটা
বাঁধাকপি দিয়ে নানা পদ রান্না করা যায়। তবে গরম ভাতের সঙ্গে অসাধারণ স্বাদের বাঁধাকপি ভর্তা নিঃসন্দেহে স্বাদে নিয়ে আসবে বৈচিত্র্য। জেনে কীভাবে বাঁধাকপি ভর্তা করবেন।বাঁধাকপি কুচি করে লবণ দিয়ে মেখে
ডায়াবিটিস ধরা পড়লে পছন্দের অনেক খাওয়াই নিষেধের তালিকায় পড়ে যায়। বিকেলে ইচ্ছেমতো মুচমুচে ভাজা চপ বা মিষ্টি খাওয়া যায় না। পুষ্টিবিদেরা বলে দেন, শুকনো মুড়ি বা ছোলা সিদ্ধই খেতে হবে