শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ১১:০৬ অপরাহ্ন
/ রেসিপি
কথায় আছে মাছে-ভাতে বাঙালি। তাই এক বেলা অন্তত ভাত-মাছ না হলে বহু বাঙালির রসনা তৃপ্ত হয় না। নিত্য দিনের মাছের তালিকায় রুই, কাতলা, মৃগেলই ঠাঁই পায়। ইলিশ, চিংড়ি, আড়, বোয়াল আরো পড়ুন
কবাবের নাম শুনলে মানসপটে মুরগি কিংবা খাসির ছবিই ভেসে ওঠে। কিন্তু ইফতার উপলক্ষে বাড়িতে যাঁদের নিমন্ত্রণ করেছেন, তাঁদের কেউই মাংস খেতে পছন্দ করেন না। আচ্ছা, মাছ দিয়েও তো কবাব বানানো
রোজ রোজ ভাতের পাতে কী দেওয়া যায়, তা নিয়ে চিন্তার শেষ থাকে না গৃহিনীদের। সেই এক তরকারি দেখলেই কারও আর খাওয়ায় মন থাকে না। তা ছাড়া গরম পড়া মানেই, খাবারে
বাড়িতে অতিথি আসবেন। ভালমন্দ রাঁধতেই হবে। কিন্তু রান্না হবে কী, তা নিয়ে চিন্তা? চেনা খাবারও রেঁধে ফেলতে পারেন অন্য ভাবে, অন্য কায়দায়, অন্য উপকরণে। পরোটা হোক বা রুটি, ভাতের পাতে
লাউ দেখলেই চিংড়ি দিয়ে ঘণ্ট রাঁধতে ইচ্ছে করে। অনেকে আবার নিরামিষ লাউয়ের ছেঁচকি খেতেও পছন্দ করেন। ডালের মধ্যে ডুমো ডুমো করে কাটা লাউ দিলেও খেতে মন্দ লাগে না। গরমে শরীরও
ডিম বলতে অজ্ঞান!এমন মানুষের সংখ্যা নেহাত কম নয়। সকাল থেকে রাত, পারলে তাঁরা ডিমের ঝুড়ি নিয়েই বসে থাকেন। সেদ্ধ, ভাজা, ভুর্জি— যা দেবেন, যে ভাবে দেবেন, তাতেই তাঁরা বেজায় খুশি।
মরসুম বদলের এই সময়টায় অসুখ-বিসুখ লেগেই থাকে। জ্বর-জ্বালা তো আছেই, বসন্ত, হাম, ভাইরাল ফিভারও হচ্ছে দেদার। শরীর যাতে খারাপ না হয়, সে জন্য মরসুম বদলের সময়ে তেঁতো রান্না হতো বাড়িতে।
চেনা খাবার তো রোজই খাওয়া হয়। সত্যি বলতে, সংসার যাঁরা গুছিয়ে রাখেন, তাঁদের অনেকেরই দিনরাত পরিশ্রমের পরে আর রান্নাঘরে বিশেষ পরীক্ষা নিরীক্ষা করার ইচ্ছে বা শক্তি থাকে না। কিন্তু কোনও